লক্ষীপুরের রামগঞ্জে সেমাই চিনির জন্য গৃহবধূকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্বামী! - খবরের অন্তরালে

জাতীয়

সর্বশেষ সংবাদ

Friday, 7 June 2019

লক্ষীপুরের রামগঞ্জে সেমাই চিনির জন্য গৃহবধূকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্বামী!

লক্ষীপুরের রামগঞ্জে ঈদের সেমাই চিনি জামা কাপড় ও প্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী না দেওয়ায় বাপের বাড়ি থেকে, এক গৃহবধূকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। হতভাগা সেই গৃহবধূর নাম আসমা আক্তার বয়স ২৩ বছর।
উক্ত ঘটনাটি ঘটে রামগঞ্জ উপজেলার দশ নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের জয়দেবপুর গ্রামের মসজিদ বাড়িতে। ঘটনার খবর পেয়ে গৃহবধূ আসমার পরিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সৃষ্ট ঘটনার মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন আসমার পরিবার।
সূত্রে জানা যায় উপজেলার ৯ নম্বর ভোলাকোট ইউনিয়নের সাহার পাড়া গ্রামের ফকির বাড়ির মৃত আবুল বাশার এর মেয়ে আসমা আক্তার এর সাথে ২০১১ সালে পার্শ্ববর্তী গ্রাম জয়দেব পুরের মসজিদ বাড়ির শাহাবুদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেনের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়েতে যৌতুক অথবা লেনদেনের বিষয়ে কোনো কথা না থাকলেও বিয়ের পরে আসমার স্বামী কামাল হোসেন এবং তার ছোট ভাই জামাল এবং আসমার শশুর শাহাবুদ্দিন শাশুড়ি ননদ শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওরা বিভিন্ন সময় টাকা পয়সা ফার্নিচার সহ যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছে এবং তাকে কয়েকবার মারধর করা হইছে যৌতুকের জন্য।
গৃহবধূ আসমার বাবা মেয়ের সুখ শান্তির কথা চিন্তা করে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছে এরপর এর সর্বশেষ ঈদুল ফিতর এর পরের দিন বৃহস্পতিবার বাপের বাড়ি থেকে এসে মাকে নিয়ে জামা কাপড় ঈদ সামগ্রী না দেওয়ায় আসামি কামাল হোসেন শ্বশুর শাহাবুদ্দিন ও জামাল হোসেন একত্রিত হয়ে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়।
আসমার স্বামী কামাল হোসেনের সাথে বারবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ আসমা আক্তার জানান আমার বাপের বাড়ি থেকে এ পর্যন্ত অনেক কিছু দিয়েছে কোন চাহিদার শেষ নাই সর্বশেষ ঈদের সেমাই চিনি না দেওয়ায় আমার স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে।
উক্ত ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন তিনি বলেন অভিযোগ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

No comments:

Post a Comment

Home