সৌদি রাজপরিবারের অন্ধকার জগত! - খবরের অন্তরালে

জাতীয়

সর্বশেষ সংবাদ

Thursday, 23 May 2019

সৌদি রাজপরিবারের অন্ধকার জগত!

সম্প্রতি দুর্নীতির মামলার দায়ে আটক হওয়া সৌদি যুবরাজ আল ওয়ালিদ বিন তালাল এর স্ত্রী আমিরা বিনতে আইডেন বিন নায়েফ রাজপরিবার এর অন্ধকার দিকের কথা তুলে ধরেছেন। আমিরা অবশ্য প্রিন্স তালালের সাবেক স্ত্রী যুবরাজের কর্মকাণ্ডের কারণে আগেই সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন তিনি।
বর্তমানের সৌদির অবস্থা যে অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে এই বিষয়ে যুবরাজের সাবেক স্ত্রী আমিরা বলেন সৌদি পরিবারকে বাইরে থেকে যতটা ভদ্র ও ধর্মভীরু বলে মনে হয় বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টা। তিনি জানান তার সাবেক স্বামীসহ রাজ পরিবারের অনেকেই অর্থপাচার সহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। এক কথায় বলতে গেলে এমন কোন অপকর্ম নিয়ে যা তাহারা করেন না।
সৌদি রাজপরিবারের সাবেক এই পুত্রবধূ আরো বলেন জেদ্দা শহর কে এরা দাস বাজারে পরিণত করেছেন সেখানে অল্প বয়সী নারী বিক্রি থেকে শুরু করে মত সেক্স পার্টির মতো সবরকম ফিচারই হয়ে থাকে পুলিশের ব্যাপারে অবহিত থাকলেও শুধুমাত্র চাকরি হারানোর কোন উদ্যোগ নেয় না কেননা শহরের সব অপরাধের সৌদি রাজপরিবারের সদস্যরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত আর সেই কারণে সৌদি রাজপরিবারের পুরুষেরা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে আছে।
আমিরা সম্প্রতি হ্যালোউইন পার্টির উদাহরণ তুলে ধরে বলেন সে পার্টিতে সর্বসাকুল্যে 10 মানুষ জড়ো হয়েছিল যাদের ভিতরে কূটনৈতিক কর্মকর্তারাও ছিলেন সেখানে সেদিন যা হয়েছে তা বাইরে দেশের কোন নাইট ক্লাবে থেকে আলাদা ছিল না।
সৌদি আরবে মদ নিষিদ্ধ হলেও সেই পার্টিতে তরল মদের বন্যা বয়ে যায় সেই ডিজে পার্টিতে মদ আর নানান ধরনের পোশাক পড়ে সবকিছু হয়েছিল।
দালালের এই সাবেক স্ত্রী আমিরা আরো বলেন সৌদি আরবে মদ নিষিদ্ধ হওয়ায় কালোবাজারে এর প্রচুর দাম উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন সেখানে এক বোতল বোটকা কিনতে গেলে প্রায় দেড় হাজার রিয়াল খরচ করতে হয় টাকা হিসেবে যা প্রায় 33000 টাকা। কখনো কখনো সেই সব পার্টিতে আয়োজকেরা আসল মদের বোতলে স্থানীয় মত লুকিয়ে থাকে স্থানীয় সেইসব মতকে তারা সিদ্দিকী নামে ডাকে।
তিনি বলেন সৌদি আরবে দাস প্রথা এখনো রয়েছে তবে সেটি গোপনে এবং অন্য ভাবে হয়ে থাকে রাজপরিবারের কিছু সুবিধাভোগী ব্যক্তি সেখানে দাস বিক্রি করে থাকেন আর এইসব দাস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আনা হয় শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ ফিলিপাইন সোমালিয়া নাইজেরিয়া রোমানিয়া এবং ভুল করিয়া থেকে।
ছবিঃ সংগৃহীত
যে সব শিশুকে এখানে বিক্রি করা হয় তারা কখনোই মালিকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোথাও যেতে পারে না এমনকি এশিয়ার দাসীরা প্রায় ক্ষেত্রে নিজেদের বন্দী বলে মনে করেন সেখানে অল্প বয়সী মেয়েদের আলাদা করে রাখা হয় এবং তাদের উপর যৌন নিপীড়ন চালানো হয়।

No comments:

Post a Comment

Home