লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক আটকের জেরে নিহত ৫ আহত অর্ধশতাধিক - খবরের অন্তরালে

জাতীয়

সর্বশেষ সংবাদ

Saturday, 6 April 2019

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক আটকের জেরে নিহত ৫ আহত অর্ধশতাধিক

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাহুর বাসায় র‌্যাবের অভিযান ও তাকে গ্রেপ্তারের জের ধরে গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন, এই ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ৫০ জন। আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতদের মধ্যে তিনজনের লাশ মর্গে বাকিদেরকে অজ্ঞাত স্থানে রাখা হয়েছে বলে জানা যায়। খবর বাংলাদেশ প্রতিদিন।
গুলিতে নিহতরা হলেন জেলা যুবদলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ জুয়েল, লাহারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মাহবুব, শিবিরকর্মী শিহাব উদ্দিন মাহমুদ ও সুমন। অন্য একজনের নাম জানা যায়নি। আহতদেরকে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
বি এন পির দলীয় নেতাকর্মী নিহতের প্রতিবাদে শনিবার জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে স্থানীয় বিএনপি। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় সকালে বিএনপি নেতার বাসায় অভিযান শেষে ফিরে যাওয়ার পথে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কের পুলিশ লাইন এলাকায় ভিক্ষুক দের বাসায় প্রায় আধ ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকে র‌্যাব সদস্যরা। তাদের উদ্ধারের জন্য বিকাল পৌনে তিনটায় ঢাকা থেকে বিশেষ হেলিকপ্টার অবতরণ করে পুলিশ লাইনে। পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে জকসিন পর্যন্ত র‌্যাব ও ১৮ দলের কর্মীদের সঙ্গে থেমে থেমে গুলি বিনিময় হয়। ঘটনার জের ছড়িয়ে পড়েছে শহরেও। বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত গুলির প্রতিবাদে শহরের বাইরে দালাল বাজার মান্দারী বাজার লাহারকান্দি ভবানীগঞ্জ সহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ভাঙচুর চালায় বিক্ষুব্ধ বিএনপি কর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ভোর সোয়া ছয়টার দিকে র‌্যাব সদস্যরা ও জেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন সাবুর বাসার গেট ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে পরিবারের সদস্যরা তাদের বাধা দেয় এই সময় র‌্যাব সদস্যরা সাহাবুদ্দিন সাবু পায়ে গুলি করে তাকে ও তার ছোট ভাইকে আটক করে নিয়ে যায়। এই সময় বিএনপি'র সাধারণ  সম্পাদকের দুটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এর প্রতিবাদে শহরের চকবাজার এলাকায় বিএনপির মিছিল বের করলে তাতে গুলি চালায় র‌্যাব সদস্যরা।
এ সময় জেলা যুবদলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ জুয়েলসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়। এই খবর শহরে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন পয়েন্টে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। এ সময় শহরের সোনালী ব্যাংকে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা সহ দোকানপাট ভাঙচুর সড়কে আগুন ও ২০ থেকে ২৫ টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় বিক্ষুব্ধরা। এর কিছুক্ষণ পরে শহরের বাগবাড়ি ঝুমুর সিনেমা ও এলজিইডির সামনে র‌্যাবের সঙ্গে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।  র‌্যাবের ছোড়া গুলিতে বিদ্ধ হন আরও অন্তত ৪৭ জন। এ সময় গুলিবিদ্ধ মাহমুদ ও সুমন নামের দুই শিবির কর্মী এবং অজ্ঞাত এক পথচারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা মারা যান।

this is a old news

No comments:

Post a Comment

Home