জাতীয় সংসদে আহমদ শফীকে নিয়ে রাশেদ খান মেনন এর বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানিয়েছেন কাজী ফিরোজ রশীদ - খবরের অন্তরালে

জাতীয়

সর্বশেষ সংবাদ

Sunday, 10 March 2019

জাতীয় সংসদে আহমদ শফীকে নিয়ে রাশেদ খান মেনন এর বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানিয়েছেন কাজী ফিরোজ রশীদ

হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও হেফাজতে ইসলাম নিয়ে বামপন্থী সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেননের জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে আখ্যায়িত করে তা এক্স পাঞ্চ করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।
রবিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে তিনি রাশেদ খান মেনন এর নাম উল্লেখ করেননি।
কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন একজন সংসদ সদস্য যিনি আগে মন্ত্রী ছিলেন এই সংসদে ধান ভানতে শিবের গীত গেয়েছেন। এটা খুবই দুঃখজনক কওমি মাদ্রাসা নিয়ে অনেক বেহুদা কথা বলেছেন। কওমি মাদ্রাসা নাকি বৃষবিক্ষ অথচ এই সংসদে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা দাওরায়ে হাদিসের স্বীকৃতি দিতে সর্বসম্মতিক্রমে আইন পাস করেছিলাম।
এটা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। সেজন্য সব কওমি মাদ্রাসা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হয়েছিল। এই কওমি মাদ্রাসা তে কোন মোল্লাতন্ত্র বা দেশ দখলের ষড়যন্ত্র হয় না। আল্লামা আহমদ শফীকে রাশেদ খান মেনন এর সমালোচনা করার প্রসঙ্গ টেনে জাতীয় পার্টির এই সংসদ বলেন হেফাজতের আমীর যিনি একজন বর্ষীয়ান নেতা সারাজীবন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন। তার অনেক ছাত্র ভক্ত রয়েছে তাকে নিয়ে এই সংসদে কটাক্ষ করে কথা বলা হয়েছে তেতুল হুজুর বলে তাকে কটাক্ষ করা হয়েছে তাকে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা হয়েছে এই ধরনের দৃষ্টতা সংসদে হওয়া উচিত নয়।
তিনি আরো বলেন সংসদে নেই সংসদে কথা বলতে পারেন না সংসদে আসতে পারেন না তাদের নিয়ে সংসদে আমরা এ ধরনের কথা কেন বলব। দেশতো শান্ত আছে শান্তিতে আছি এখন তো কোথাও অশান্তি দেখি না আমরা কেন শান্তির মধ্যে একটি অশান্তির ঢিল ছুঁড়ে মারব।
কিছু কিছু বামপন্থী নেতা রয়েছেন তারা ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলাটাকে ফ্যাশন মনে করেন ইসলামের মধ্যে কথা বললেই আল্ট্রা মর্ডান হয়ে গেলাম মানুষ মনে করবে আমি সব থেকে বড় বিপ্লবী কমরেড হয়ে গিয়েছি।
বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন 20 হাজার কওমি মাদ্রাসা আছে 20 লাখ ছাত্র কওমি মাদ্রাসায় কোরআন হাদিস নিয়ে পড়াশোনা করেন কঠিন ইসলামী অনুশাসনের মধ্যে দিয়ে তাদের চলতে হয়। কওমি মাদ্রাসার ছাত্ররা স্কুল কলেজের ছাত্র দের মত কি মাখন পরোটা খেয়ে পড়ালেখা করতে পারে না তাদের ভাগ্যে যা জোটে তাই তারা খেয়ে পড়ালেখা করে। কওমি মাদ্রাসায় মাদক ইয়াবা গাঁজা নিষিদ্ধ ধূমপান এখানে চলে না আমাদের স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি ও বাড়ি ঘরে ঢুকে পড়েছে কিন্তু কওমি মাদ্রাসার ঢুকতে পারে না।
আমরা রক্ত পরীক্ষা করলে ৫০ ভাগ ও প্রিয় রক্ত পাবনায় স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের থেকে।জনাব ফিরোজ রশীদ স্পিকার কে উদ্দেশ্য করে বলেন কওমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কথা বলে আলেম সমাজের নেতা আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেবের বিরুদ্ধে কথা বলে উনাকে অপমান করা হয়েছে এই সংসদের তাদের জন্য আমরা আইন পাশ করেছি। এখানে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার দরকার ছিল না এই কথাগুলো এক্স পাঞ্চ করবেন অশান্ত পরিবেশ থেকে আমরা মুক্তি পাব।
গত তিন এ মার্চ সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন দাওরায়ে হাদিসের স্বীকৃতি প্রদান হেফাজতে ইসলাম ও আহমদ শফীর সমালোচনা করেন।

No comments:

Post a Comment

Home