আবারো নিউজিল্যান্ডে হিজাব পরায় দুই বোনকে হেনস্তা - খবরের অন্তরালে

জাতীয়

সর্বশেষ সংবাদ

Sunday, 17 March 2019

আবারো নিউজিল্যান্ডে হিজাব পরায় দুই বোনকে হেনস্তা

হেনস্থা হওয়া দুই বোন ছবি: ইন্টারনেট


আবারো নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে হিজাব পড়ার কারণে মুসলিম সম্প্রদায়ের দুই বোনকে হত্যা করা হয়। হিজাব পরার কারণে মাউন্ট আলবার্ট রেল স্টেশনে তাদেরকে হেনস্থা করা হয়।

গতকাল রবিবার এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। দুই বোন কে হেনস্তা করে তাদেরকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এই ঘটনা তারা তাদের পরিবারকে জানিয়েছে, এবং ভয় পেয়েছে ও বাড়িতে অবস্থান করা তারা নিরাপদ মনে করছেন।

ওই দু'বোনের নাম ইকরা (২১) ও আসমা বলে জানা গেছে।  

এখন প্রতিনিয়ত ও ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে মুসলমান সম্প্রদায়ের উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার নিপীড়নের মাত্রা বেড়ে গেছে।

কোথাও না কোথাও হিজাব পরার কারণে, মসজিদে নামাজ পড়ার কারণে, অথবা অন্য কোন ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করার কারণে, মুসলমান সম্প্রদায় কে বিভিন্ন ভাবে অপমান হেনস্তা এবং শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে, কোথাও তাদের কে মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হচ্ছে, কোথাও তাদেরকে দেশ ত্যাগ করার হুমকি দিচ্ছে শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী সন্ত্রাসীরা।

কিন্তু এগুলো দেখেও না দেখার ভান করে আসছে বিশ্বের বড় বড় মিডিয়াগুলো। একই রকম ঘটনা যদি কোন মুসলিম সম্প্রদায়ের লোক করে তাহলে তাকে বড় করে হাইলাইটস করে মিডিয়াগুলি এবং সন্ত্রাসী-জঙ্গিবাদী আখ্যা দিয়ে মুসলমানদের কে অপমান করা হয়।

গত শুক্রবারে নিউজিল্যান্ডের আল নূর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে এক সন্ত্রাসীর বর্বর হামলার ঘটনায় আজ বিশ্ব মিডিয়া। বিশ্বের বড় রাষ্ট্রগুলো এখন মুখে কুলুপ এঁটে রাখছেন তারা এই বর্বর হামলা কে কিছুতেই সন্ত্রাসী জঙ্গী হামলা বলতে নারাজ। এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সব সময় টুইটে মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী জঙ্গী বিভিন্ন নামে টুইট করে বিশ্ববাসী কে জানান দেন। সেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ও এই হামলাকে জঙ্গী হামলা বলতে নারাজ যদিও তিনি হামলার নিন্দা করেছেন কিন্তু তার টুইট বার্তায় যে শব্দ চয়ন ব্যবহার করেছেন এতে বুঝা যায় তিনি এই হামলাকে সন্ত্রাসী হামলা বলতে চান না শুধুমাত্র একজন বন্দুকধারী হামলা করেছে সেটাই বুঝাতে চেয়েছেন। কারণ হামলাকারী একজন শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী তাই তাদের চোখে সে কোন সন্ত্রাসী জঙ্গী নয়। 

No comments:

Post a Comment

Home