জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত ডাকসু নির্বাচনকে ও কলঙ্কিত করা হলো : বিএনপি - খবরের অন্তরালে

জাতীয়

সর্বশেষ সংবাদ

Monday, 11 March 2019

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত ডাকসু নির্বাচনকে ও কলঙ্কিত করা হলো : বিএনপি

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর মত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ও হল সংসদের নির্বাচনে কে কলঙ্কিত করা হলো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির।
আজ সোমবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই মন্তব্য করেছেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতের ভোটের সংস্কৃতি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বের হতে পারেননি। আজ ডাকসু নির্বাচন কেউ কলঙ্কিত করা হলো।
বি এন পির সংবাদ সম্মেলন। ছবি: ইন্টারনে

গতরাতে বেলের বক্স বানানো হয়েছে যার প্রমাণ পাওয়া গেল আজ কুয়েত মৈত্রী হলে বস্তাভর্তি সিল মারা ব্যালট বক্স। তিনি বলেন সাধারণ ছাত্র ছাত্রী সহ বিরোধী ছাত্র সংগঠনের সমর্থকরা জাতীয় ভোট দিতে না পারে সেজন্য পুলিশ অবিশ্বাস্য রকমের তৎপরতা শুরু করেছে। সব হলের ছাত্রলীগের মহড়া এ নির্বাচনের পরিণতি নিয়ে জনমনে সংশয় গভীর থেকে গভীরতর হয়েছে।
বিএনপি নেতা আরও বলেন ডাকসু একটি ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান। আমাদের ভাষা স্বাধিকার স্বাধীনতা গণতন্ত্র  সহ সব অধিকার আন্দোলনে ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রগামী। ডাকসুর নির্বাচন দেশে বিদ্যমান নাৎসিবাদী পরিকাঠামোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২৮ বছর পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রিজভী আরো বলেন ২৯ শে ডিসেম্বর মধ্যরাতের ভোটের স্মৃতি ডাকসু নির্বাচন সাধারণ ছাত্রদের তাইতো করেছে। এই নির্বাচনে সাধারণ ছাত্রদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। গণতন্ত্রের নানারূপ এই ডাকসু নির্বাচন কেন্দ্র করে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ভোট কেন্দ্র করা হয়েছে ১৮ টি হলে। সব সংগঠন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্রে দাবি করেছিলেন। ভোটের সময় বাড়ানোর স্টিলের ব্যালট বাক্সের বদলে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের দাবি করেছিলেন। রাতের ভোটের আতঙ্ক রাতে যেন বেলেট বক্স না নেওয়া হয় সেই দাবি প্রার্থীরা না নেওয়া হয় সেই দাবি প্রার্থীরা করেছিলেন। কিন্তু এসব দাবি দাবি নাকচ করা হয়েছিল।
ডাকসু নির্বাচনে মিডিয়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সমালোচনা করে রিজভী বলেন। ১৮ টি কেন্দ্রের জন্য টেলিভিশন মাধ্যমিক চারটি ইউনিট ও প্রিন্ট মিডিয়া দুজনকে ঢুকতে দেওয়া হবে। অর্থাৎ সংবাদ সংগ্রহে কড়াকড়ি আরোপ। তথ্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। ডিজিটাল বাংলাদেশের উল্লাসে অস্থির ক্ষমতাসীনদের রাজত্বে এখন কি দশা হলো যে মোবাইল ফোন সহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস বিশ্ববিদ্যালয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আজ নির্বাচনের দিন সব ধরনের অনিয়মের প্রমাণ না রাখা ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৫ জন যা ডাকসুর ইতিহাসে নজিরবিহীন। ছাত্রলীগের বয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এরকম বেশকিছু প্রার্থীর প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বিএনপি নেতা আরও বলেন বিরোধী মতের শিক্ষকদের ডাকসু নির্বাচনে কোন দায়িত্বে রাখা হয়নি। গত কয়েকদিনে সাধারণ ছাত্রদের জোর করে ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানগুলোতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে। সাধারণ ছাত্রদেরকে হুমকি দিয়ে হলগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা।

No comments:

Post a Comment

Home